হাইব্রিড মরিচ চাষ পদ্ধতি


মরিচ একটি নিত্য দিনের খাদ্য দ্রব্য।আমদের দেশে প্রচুর মরিচ আবাদ হয়।আমাদের দেশে দেশি মরিচের পাশাপাশি এখন হাইব্রিড মরিচ উৎপাদন হয়ে থাকে । কিভাবে হাইব্রিড মরিচ আবাদ করা যায়?

hybrid peper cultivation
Photo Source:www.wallpaperflare.com


প্রথমে হাইব্রিড মরিচের বীজ সংগ্রহ করে রোদে শুকিয়ে ঠাণ্ডা করে নিতে হবে। ভালো হাইব্রিড জাতের ৫ গ্রাম বীজের  মূল্য আনুমানিক  ২০০-২৫০ টাকা।

বীজের পরিমানঃ প্রতি ২৪ শতকে(১দোন) ১৫-২০ গ্রাম  বীজের প্রয়োজন হয়।

বীজতলাঃশীতকালে বীজ জাগ দিয়ে মুখ ফাটিয়ে বপন করতে হয়।বীজ চারা তৈরির সময় সামান্য দুরুত্ব বজায় রেখে চারা বপন করতে হয়।চারা ২৫-৩০ দিনে রোপণ উপযুক্ত হয়।তবে প্রয়োজনে বেশি বয়সের চারাও রোপন করা যেতে পারে।

চারা রোপন দূরত্ব ঃ ২.৫ ফুট(৩০ ইঞ্চি) বাই  ২.৫ফুট(৩০ ইঞ্চি)।

কুশী ছাটাইঃ গাছের গোঁড়ার দিকের কুশী খুব ছোট অবস্থাতেই ভেঙ্গে দিতে হবে।এর ফলে গাছে ফলন বৃদ্ধি পাবে এবং মরিচ উন্নতমানের হবে।তবে কুশী ভাঙ্গার সময় খেয়াল রাখতে হবে যাতে গাছের প্রধান কান্ডটির ক্ষতি না হয়।

প্রয়োগঃজমিতে গোবর বা জৈব সার প্রচুর পরিমানে দিতে হবে ।ইউরিয়া প্রতি শতাংশ জমিতে ৫০০ গ্রাম,টিএসপি ৮০০ গ্রাম, এমপি(পটাশ) ৫০০ গ্রাম, জিপসাম ৪০০ গ্রাম, জিংক সালফেট ৪০ গ্রাম,বরাক্স(সোহাগা) ৪০ গ্রাম( জমির বর্তমান অবস্থা অনুযায়ী সার প্রয়োগের ক্ষেত্রে কিছু তারতম্য
হতে পারে) ।

চারা রোপণের ২৫-৩০ দিন পর একর প্রতি ২০ কেজি ইউরিয়া ১০ কেজি পটাশ সার (প্রতি শতক জমিতে ২০০ গ্রাম ইউরিয়া ও ১০০ গ্রাম পটাশ ) উপরি প্রয়োগ করতে হবে।ফলন্ত অবস্থায় ২৫-৩০ দিন পরপর অল্প পরিমানে ইউরিয়া ও পটাশ সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে।

রোগ ও পোকা দমনঃমরিচ ফসলে খরার সময় মাইটের(ছোট মাকড়সা)আক্রমণে ফসল ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়।মাইটের আক্রমণ দেখা দিলে মাইটিসাইড প্রয়োগ করতে হবে।


(হাইব্রিড জাতের বীজ থেকে উৎপাদিত ফসলের দানা কোন অবস্থাতেই বীজ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না)

Post a comment

0 Comments

Follow by Email

Get all latest content delivered straight to your inbox.